মাসুদ রানা সিরিজ

মাসুদ রানা  বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হোসেনের সৃষ্ট একটি কাহিনী-চরিত্র। ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে ধ্বংস পাহাড় প্রচ্ছদনামের প্রথম গ্রন্থটি থেকে শুরু করে সেবা প্রকাশনী থেকে মাসুদ রানা সিরিজে এই চরিত্রকে নিয়ে চার শতাধিক গুপ্তচরবৃত্তীয় কাহিনীর বই প্রকাশিত হয়েছে। সিরিজের প্রথম দুইটি বই মৌলিক হলেও পরবর্তীতে ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষার বইয়ের ভাবানুবাদ বা ছায়া অবলম্বনে রচিত হওয়া বইয়ের আধিক্য দেখা যায়। মাসুদ রানার চরিত্রটিকে মূলত ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট জেমস বন্ড চরিত্রটির বাঙালি সংস্করণ হিসেবে সৃষ্টি করেছিলেন লেখক। কিন্তু বর্তমানে সিরিজটি বাংলা বই এর জগতে স্বকীয় একটি স্থান ধরে রেখে পথ চলছে।

মাসুদ রানা’র প্রথম বইটি কাজী আনোয়ার হোসেনের ১০ মাসের দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল। তিনি ঐ সময়ে মোটরসাইকেলে তার রাঙ্গামাটি ভ্রমণের কথা স্মরণ করে লেখেন উপন্যাসটি। আর ঐ কাহিনীই বাংলা সাহিত্যের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কারণ মাসুদ রানাই বাংলা সাহিত্যের প্রথম চরিত্র যা বাংলাদেশের চরিত্র হলেও একটি বৈশ্বিক চরিত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

চরিত্র পরিচয়

আকর্ষণীয় বিষয়াবলী

  • মাসুদ রানার প্রকাশিত ৪০০টি বইয়ের কোনোটিতেই তার মায়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
  • রানাকে নিয়ে বিস্মরণ বইটির কাহিনী অবলম্বনে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মাসুদ রানা তৈরি হয় ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে। ছবির পরিচালক মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা)।
  • বাংলাদেশের প্রথম প্যাকেজ নাটক প্রাচীর পেরিয়ে তৈরি হয় মাসুদ রানার কাহিনী পিশাচ দ্বীপ অবলম্বনে, যার চিত্রনাট্য লেখেন আতিকুল হক চৌধুরী। মাসুদ রানা এবং সোহানা চরিত্রে অভিনয় করেন যথাক্রমে নোবেল এবং বিপাশা হায়াত।
  • মাসুদ রানার ধ্বংস পাহাড় বইটির উর্দু সংস্করণ বের হয়, যার নাম ছিলো মউত কা টিলা

মাসুদ রানা সেনাবাহিনীর প্রাক্তন মেজর, এবং কাল্পনিক সংস্থা বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স এর সদস্য, এবং তার সাংকেতিক নাম MR-9। এছাড়া রানা এজেন্সি নামক একটি গোয়েন্দা সংস্থাও রানা পরিচালনা করে থাকে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে তথা ১৯৭১-এর আগের বইগুলোতে সংস্থাটির উল্লেখ থাকতো পি.সি.আই বা “পাকিস্তান কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স” হিসেবে।

সহায়ক চরিত্রসমূহ

মাসুদ রানার সহায়ক চরিত্রে প্রথমেই মেজর জেনারেল রাহাত খানের নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের প্রধান। তারই তত্বাবধানে রানা নিজের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া তার কাজে সহায়তা করে থাকে সোহেল, সলিল, সোহানা, রূপা, গিলটি মিয়া প্রমুখ চরিত্রও। সাগর-সঙ্গম বইটি লিখতে গিয়ে কোনো এক বই থেকে কাছাকাছি একটা চরিত্র পেয়ে সেটাকেই কাহিনীর উপযোগী করে বসাতে গিয়ে লেখক নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন গিলটি মিয়া চরিত্রটিকে। চরিত্রটির বাচনভঙ্গি তিনি তার মায়ের থেকে পেয়েছেন, যিনি হুগলির মানুষ হলেও কলকাতা শহরে বড় হয়েছিলেন। তারই মুখের ভাষা একটু অদলবদল করে নিয়ে বসিয়ে দিয়েছেন গিলটি মিয়ার মুখে। সিরিজের ‘সোহেল’ চরিত্রটি খানিকটা জেমস বন্ডের বন্ধু ফিলিক্স লেইটারের আদলে গড়া। ‘সোহানা’ হলো লেখকের কল্পনার বাঙালি মেয়ে।

এছাড়া মাসুদ রানার চিরশত্রুদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য হলো বিজ্ঞানী কবীর চৌধুরী, উ সেন প্রমুখ। ‘কবীর চৌধুরী’ এসেছে সেবা প্রকাশনীর কুয়াশা সিরিজের চরিত্র থেকে।

কাহিনী সংগ্রহ

মাসুদ রানার অধিকাংশ কাহিনীই বিভিন্ন বিদেশী লেখকের বই থেকে ধার করা। এলিস্ট্যার ম্যাকলীন (Alistair MacLean), রবার্ট লুডলাম (Robert Ludlum), জেমস হেডলি চেজ (James Headley Chase), উইলবার স্মিথ (Wilber Smith), ক্লাইভ কাসলার (clive cussler), ফ্রেডরিক ফরসাইথ(frederick forsyth)-সহ বহু বিদেশী, বিশেষ করে ইংরেজি সাহিত্যিকের লেখা কাহিনী থেকে ধার করে মাসুদ রানার কাহিনী লেখা হয়।

কখনও কোনো বই বিদেশী কোনো একক বই থেকেই অনুবাদ করা হয়, আবার কখনও একাধিক বই মিলিয়ে লেখা হয়। যেমন: সিরিজের তৃতীয় বই স্বর্ণমৃগ লেখা হয়েছিলো ইয়ান ফ্লেমিঙের ৩টি কাহিনীর সহায়তা নিয়ে –লিভ অ্যান্ড লেট ডাই, গোল্ড ফিঙ্গারঅন হার ম্যাজেস্টি’সিক্রেট সার্ভিস। একাধিক বই থেকে লেখার ক্ষেত্রে প্রথমে যেখানে যেমনটা দরকার একটা কাঠামো তৈরি করে নিয়ে মাসুদ রানার উপযোগী অংশটুকু বইগুলো থেকে নেয়া হয়। তবে একক বই থেকে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে এমন অনেক কাহিনীও পাওয়া যায় যেগুলো সাধারণত তেমন একটা পরিবর্তনের দরকার হয় না।

ইতিহাস

১৯৬০ – এর দশকে কাজী আনোয়ার হোসেনের কুয়াশা সিরিজ চলছিলো সেবা প্রকাশনী থেকে। তখন জনৈক মাহবুব আমিনের সমালোচনায় তিনি থ্রিলার সিরিজ সম্বন্ধে বৈশ্বিক একটা ধারণা লাভ করেন। মাহবুব আমিনই আনোয়ার হোসেনকে ডক্টর নো বইটি উপহার দিলে আনোয়ার হোসেন নতুন করে চিন্তা করার সুযোগ পান এবং মাহবুব আমিনের প্রেরণায় লিখতে শুরু করেন মাসুদ রানা সিরিজের প্রথম বই ধ্বংস-পাহাড়। সেই বইটি লেখা হয়েছিলো লেখকের সেগুনবাগিচার বাসার দোতলায় বসে। বইটি লিখতে ৮-৯ মাসের মতো লেগেছিলো। লেখক, প্রথমে খসড়া একটা প্লট সাজিয়েছিলেন: কুয়াশা’ সিরিজের আদলে, এক প্রতিভাবান বিজ্ঞানী কাপ্তাই শহরের কাছে একটা পাহাড়ের ভেতর অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি নিয়ে গোপন গবেষণা করছিলো। কাপ্তাই বাঁধ তৈরির ফলে বিশাল লেকের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে পাহাড়টা। তাই সে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তানের কোনো শত্রু দেশের সরবরাহ করা শক্তিশালী ডিনামাইট ফাটিয়ে উড়িয়ে দেবে বাঁধটা। আর সেটা ঠেকাবে বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স এজেন্ট মাসুদ রানা। এই প্লটকে বাস্তবসম্মত করতে লেখক স্বয়ং ঘুরে বেড়াতে শুরু করলেন চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, কাপ্তাই, কক্সবাজার প্রভৃতি স্থানে। একাজেই ব্যয় দীর্ঘ একটা সময়। সমস্যা দেখা দিলো তৎকালীন বাংলাদেশে এরকম ঢঙে লেখার চল ছিল না বাংলা ভাষায়, থ্রিলার ধারণ করার উপযোগী ভাষাও শিখতে লাগলেন ঠেকে ঠেকে, প্রয়োজনেই তৈরি করে নিতে হয়েছিলো লেখকের নিজস্ব একটা ধরন। আনোয়ার হোসেন তাই নিজের লেখায় ঠিক সন্তুষ্ট হতে পারছিলেন না, বারবার কাটাকাটি করে পাণ্ডুলিপির চেহারাটাই বিগড়ে দিলেন। তৃতীয়বার পরিষ্কার করে আবার লিখলেন গোটা কাহিনীটাই। শেষ পর্যন্ত নিজের অসন্তুষ্টি নিয়েই ছাপার জন্য প্রেসে দিয়েছিলেন, এমনকি প্রুফ রিড করার সময়ও প্রচুর সম্পাদনা করেছিলেন লেখক। এমনকি প্রকাশিত অবস্থায় হাতে পাওয়া বইটিতেও লেখক নিজে সন্তুষ্ট ছিলেন না। যদিও পাঠক ঠিকই সাদরে গ্রহণ করে নেয় মাসুদ রানাকে।

রানা’র চেহারার ক্ষেত্রে লেখক চেয়েছিলেন পাঠকই নিজেকে রানা’র জায়গায় বসিয়ে ভাবুক, তাই তিনি রানা’র চেহারার কোনো স্পষ্ট বর্ণনা দেননি। প্রথম দিককার বইগুলোতে ভারতীয় গোয়েন্দা কাহিনীর প্রভাব লেখক যে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যেতে পেরেছিলেন, তা নয়। তবে কয়েকটি বই লেখার পাশাপাশি অ্যালিস্টেয়ার ম্যাকলিন, জেমস হেডলি চেজ, ডেসমন্ড ব্যাগলি, হ্যামন্ড ইনস, ফ্রেডেরিক ফোরসাইথ, পিটার বেঞ্চলি, কেন ফোলেট, ক্লাইভ কাসলার, এডওয়ার্ড এস আরনস, কলিন ফর্বস, জেরার্ড ডি ভিলিয়ার্স, জ্যাক হিগিন্স, এ জে কুইনেল, জিওফ্রি জেনকিনস, উইলবার স্মিথ প্রমুখ বড় বড় থ্রিলার লেখকের বই পড়তে পড়তে রানার চরিত্র ক্রমেই আলাদা রূপ পেতে শুরু করে।

নামকরণ

মাসুদ রানা’র নামকরণ করা হয় দুজন বাস্তব মানুষের নামের অংশ মিলিয়ে। কাজী আনোয়ার হোসেন তার স্ত্রী, আধুনিক সংগীতশিল্পী ফরিদা ইয়াসমিনের সাথে পরামর্শ করে নামটি নির্বাচন করেন। এপ্রসঙ্গে স্বয়ং কাজী আনোয়ার হোসেন বলেন:

আমাদের দুজনেরই বন্ধু স্বনামধন্য গীতিকার মাসুদ করিমের ‘মাসুদ’ আর আমার ছেলেবেলার হিরো (নায়ক) ইতিহাসে পড়া মেবারের রাজপুত রাজা রানা প্রতাপ সিংহ থেকে ‘রানা’ নিয়ে নাম হলো মাসুদ রানা

ক্রান্তিকাল

কখনও কখনও এমনও হয় যে, মাসুদ রানা সিরিজ বন্ধ হবার উপক্রম হয়। প্রথমবার এমনটা হয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীন হবার আগে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার রানার স্বর্ণমৃগ বইটি নিষিদ্ধ (ban) করেছিলো, লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন এতে চ্যালেঞ্জ করায় গোটা সিরিজই বন্ধ করে দেওয়ার জোগাড় করেছিলেন ক্ষুব্ধ এক সরকারি কর্মকর্তা। দ্বিতীয়বার, মুক্তিযুদ্ধের পর বিভিন্ন জন টেলিফোনে হুমকি দিতে শুরু করেছিলো, কেননা স্বাধীনতার আগে ভারত কেবল একটা দেশ থাকলেও যুদ্ধের সময়কার অন্যতম মিত্র দেশ ভারত, স্বাধীনতার পরে নিকটবর্তী বন্ধু দেশ হিসেবে পরিচিতি পায়। এতে সিরিজের প্রথম দিককার বইগুলোতে ভারতকে শত্রুপক্ষ করে সাজানো কাহিনীগুলো সাধারণ্যের রোষানলে পড়ে। তখন সেবা’র কর্ণধার বাধ্য হয়ে প্রথম দিককার কয়েকটি বই থেকে ভারতবিরোধী অংশগুলো বর্জন করে নেন, এমনকি ২টি বই পুণর্লিখনও করা হয়েছিলো। তৃতীয়বার, প্লট সংকটের কারণে আটকে গিয়েছিলো সিরিজটি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর (১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে) কোনো দেশ আর বাংলাদেশের শত্রু রইল না, অথচ শত্রুদেশ ছাড়া গুপ্তচর-কাহিনী হয় না। সেটা সামাল দেয়ার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন বড় বড় শহরে রানা ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি খুলে গুপ্তচরবৃত্তির পাশাপাশি সিরিজটিতে গোয়েন্দা, অ্যাডভেঞ্চার, ট্রেজার-হান্ট, এমনকি বিজ্ঞানকল্প ও পিশাচ কাহিনী টেনে আনা হয়েছিলো। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পশ্চিমা লেখকরা যখন শত্রু হারিয়ে দিশেহারা, উপায়ান্তর না দেখে রানা সিরিজও খাঁটি গুপ্তচরবৃত্তি থেকে সরে এসে হয়ে পড়ে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নীতির আদলে চলতে শুরু করে।

ভ্রান্তি

মাসুদ রানা সিরিজের ক্রিমিনাল বইটি বের হওয়ার পর দেখা গেলো যে, ঐ একই কাহিনী নিয়ে আগেই বন্দী গগল নামে একটি বই বেরিয়েছিলো। এধরনের ভুল এই সিরিজে একবারই হয়েছিলো।

বিভিন্ন মাধ্যমে মাসুদ রানা

মাসুদ রানা চরিত্রটি নিয়ে বাংলাদেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয় মাসুদ রানা সিরিজের ‘বিস্মরণ’ অবলম্বনে, ১৯৭৩ সালে। আর ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে। পরিচালনায় ছিলেন মাসুদ পারভেজ তথা পরবর্তীকালের জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা। তার পরিচালিত প্রথম ছবি এটি। বিশ বছরের বেশি সময় পর পরবর্তীকালে লেজার ভিশনের ব্যানারে এই চলচ্চিত্রটি ডিভিডি আকারে বাজারে আসে। বাংলাদেশের টিভি নাটকের ইতিহাসে প্রথম প্যাকেজ নাটক প্রাচীর পেরিয়ে এর কাহিনী রচনা করা হয় কাজী আনোয়ার হোসেন রচিত মাসুদ রানা সিরিজের পিশাচ দ্বীপ নামক বই থেকে। কাহিনীর নাট্যরূপ প্রদান করেন আতিকুল হক চৌধুরী। ১৯৯৪ সালে প্রচারিত এই নাটকটিতে মাসুদ রানার ভূমিকায় অভিনয় করেন জনপ্রিয় মডেল তারকা নোবেল আর তার বিপরীতে সোহানার ভূমিকায় অভিনয় করেন বিপাশা হায়াত। খলনায়কের ভূমিকায় ছিলেন কে. এস. ফিরোজ।

সমালোচনা

মাসুদ রানা সিরিজটি সাধারণ বাঙালি পাঠকের ঘরে যে একেবারে সাদরে গ্রহণ করা হয়েছে, তা কিন্তু নয়। ষাট দশকের শুরুতে মাসুদ রানা সিরিজের বইয়ে উল্লেখিত নর-নারীর বিবাহ-বহির্ভূত যৌনতাশ্রয়ী সম্পর্কের বিবরণ পাঠকসমাজকে কিছুটা হলেও থমকে দিয়েছিলো। প্রথম দিকে এমনটাই হয়েছিলো যে, ‘প্রজাপতি’ মার্কাওয়ালা বইগুলো পড়াই নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছিলো বাঙালি সমাজে।যারা এসকল পেপারব্যাক বই পড়তো, তাদেরকেও খারাপ নজরে দেখা হতো। বর্তমানে ইন্টারনেটের দৌলতে মাসুদ রানা সিরিজ ভারতের বাঙালীদের ভেতরেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

মাসুদ রানা’র প্রতি নানাভাবে সমালোচনা শুরু হলে সেবা প্রকাশনী প্রথমবারের মতো বইয়ের শেষে “আলোচনা” বিভাগ চালু করে। যাতে লেখকের বক্তব্য থেকে সমালোচনাগুলোর জবাব দেয়া সম্ভব হয়। সমালোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে যেমন ছিলো কাহিনী ধার করে লেখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তেমনি ছিলো কোনো চরিত্রের মৃত্যুজনিত অতি ঠুনকো বিষয়, কেননা বইয়ের কোনো প্রিয় চরিত্রের মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী করা হতো লেখককে। চরিত্রের মৃত্যুজনিত বিষয়টিতে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয়েছিলো খোদ রানা’র মৃত্যুতে। অগ্নিপুরুষ বইটিতে মাসুদ রানা, নেপল্‌সের কারাদারেলি হাসপাতালে মারা যায় এবং তাকে কবর দিয়ে দেশে ফেরেন অন্য চরিত্র, মেজর জেনারেল রাহাত খান। অবশ্য পরে লেখক তা কাটিয়ে ওঠেন সামান্য একটি সুযোগ পেয়ে গিয়ে; কারণ ঐ কাহিনীর শেষাংশে রাতের আঁধারে রানার মতো দেখতে এক লোককে পুলিশের লঞ্চ থেকে গোজো দ্বীপে নামতে দেখে পাঠক হয়তো রানা মারা যায়নি মনে করে আশান্বিত হোন।

লেখকস্বত্ব নিয়ে বিতর্ক

‘মাসুদ রানা’ সিরিজের লেখক হিসাবে কাজী আনোয়ার হোসেনের নাম প্রকাশিত হলেও, শেখ আবদুল হাকিম এবং ইফতেখার আমিন নামে দুইজন লেখক নিজেদের এর মুল লেখক হিসেবে দাবি করেছেন এবং স্বত্ব ও রয়্যালটি দাবি করে তারা কপিরাইট রেজিস্টার অফিসে অভিযোগ করেছেন। শেখ আবদুল হাকিম কপিরাইট অফিসে অভিযোগ করেছেন, এ পর্যন্ত কুয়াশা সিরিজ ও মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি বই তিনি লিখেছেন। অপরদিকে ইফতেখার আমিন দাবি করেছেন মাসুদ রানা সিরিজে তার লেখা বইয়ের সংখ্যা ৫৮টি।

সিরিজের বই

সেবা প্রকাশনী কর্তৃক মাসুদ রানা সিরিজে এই পর্যন্ত মোট ৪৫০টি বই প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে বইগুলিতে মোট ৩০৩টি গল্প আছে (অনেক বইয়ের দুটি, এমনকি তিনটি ভলিউম থাকায় এমনটি হয়েছে)

চলচ্চিত্র

মাসুদ রানা (১৯৭৪)

১৯৭৪ সালে মাসুদ রানার কাহীনি নিয়ে প্রথম চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। যার পরিচালক ছিলেন মাসুদ পারভেজ।

মাসুদ রানা

মাসুদ রানা সিরিজ নিয়ে জাজ মাল্টিমিডিয়া একটি চলচ্চিত্র নির্মান করছে। একটি রিয়েলিটি শো এর মাধ্যমে মাসুদ রানার চরিত্র খুঁজে বের করা হবে। চলচ্চিত্রটির বাজেট ধরা হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি বাজেটের চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির ৫০ শতাংশ হবে হলিউডে, ৪০ শতাংশ হবে বাংলাদেশের পাহাড়ী অঞ্চলে। আর বাকি ১০ শতাংশ থাইল্যান্ড বা এমন এলাকাগুলোতে। চলচ্চিত্রটির সিনেমাটোগ্রাফার এবং পরিচালক প্রায় সবাই হলিউডের। অমিতাভ রেজা চৌধুরীও চলচ্চিত্রটির সাথে যুক্ত থাকবেন।

লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন
প্রচ্ছদ শিল্পী ইসমাইল আরমান
দেশ বাংলাদেশ
ভাষা বাংলা
ধারাবাহিক মাসুদ রানা
বিষয় থ্রিলার
ধরন গোয়েন্দাগিরি / মাফিয়া / দুঃসাহসিক
প্রকাশক সেবা প্রকাশনী
প্রকাশনার তারিখ ১৯৬৬ – বর্তমান

Masud Rana Series-মাসুদ রানা সিরিজ ।

এখানে আছে ৩২৫টি বই ।
৩২৫টি বই এর তালিকা নিচে দেয়া হলো :

সূচিপত্র
১.আবার সেই দুঃস্বপ্ন-১।
২.আবার সেই দুঃস্বপ্ন-২।
৩.আবার ষড়যন্ত্র ।
৪আবার সোহানা ।
৫.আবার উ সেন ।
৬.অদিম আতঙ্ক ।
৭.অগ্নিবাণ ।
৮.অগ্নিপুরুষ ।
৯.অগ্নিশপথ ।
১০.আগুন নিয়ে খেলা-১ ।
১১.আগুন নিয়ে খেলা-২ ।
১২.অকস্মাৎ সীমান্ত ।
১৩.আক্রান্ত দূতাবাস ।
১৪.আক্রমণ ৮৯ ।
১৫.আক্রমণ  ।
১৬.অমানুষ ।
১৭.অ্যামবুশ ।
১৮.আমি সোহানা ।
১৯.অন্ধকারে চিতা -১ ।
২০.অন্ধকারে চিতা -২ ।
২১.অন্ধ শিকারী-১ ।
২২.অন্ধ শিকারী-২ ।
২৩.অন্ধকারের বন্ধু ।
২৪.অন্ধ প্রেম ।
২৫.অনন্ত যাত্রা-১ ।
২৬.অনন্ত যাত্রা-২ ।
২৭.আরেক বারমুডা ।
২৮.অরক্ষিত জলসীমা ।
২৯.অশান্ত সাগর ।
৩০.আসছে সাইক্লোন ।
৩১.অশুভ প্রহর ।
৩২.এসপিওনাজ ।
৩৩.অটল সিংহাসন ।
৩৪.বাঘের খাঁচা ।
৩৫.বেদুঈন কন্যা ।
৩৬.বেঈমান ।
৩৭.বেনামী বন্দর ।
৩৮.ব্যর্থ মিশন ।
৩৯.বিদায় রানা ।
৪০.বিদেশী গুপ্তচর-১ ।
৪১.বিগ ব্যাঙ ।
৪২.বিপদজনক ।
৪৩.বিপদসীমা ।
৪৪.বিপর্যয় ।
৪৫.বিষ নিঃশ্বাস ।
৪৬.বিষাক্ত থাবা ।
৪৭.বিষচক্র ।
৪৮.বিষকন্যা-১ ।
৪৯.বিষকন্যা-২ ।
৫০.বিষনাগিনী ।
৫১.বিস্মরণ ।
৫২.ব্ল্যাক ম্যাজিক ।
৫৩.ব্ল্যাক স্পাইডার ।
৫৪.ব্ল্যাকমেইলার ।
৫৫.ব্লাইন্ড মিশন ।
৫৬.বন্ধু ।
৫৭.বন্দী গগল ।
৫৮.বন্দী রানা ।
৫৯.বড় ক্ষুদা-১ ।
৬০.বড় ক্ষুদা-২ ।
৬১.বোস্টন জ্বলছে ।
৬২.বাউন্টি হান্টার্স ।
৬৩.বুমেরাং ।
৬৪.বুশ পাইলট ।
৬৫.চারদিকে শত্রু ।
৬৬.ক্যাসিনো আন্দামান ।
৬৭.ছদ্মবেশী ।
৬৮.চাই ঐশ্বর্য -১ ।
৬৯.চাই ঐশ্বর্য -২ ।
৭০.চাই সম্রাজ্য-১ ।
৭১.চাই সম্রাজ্য-২ ।
৭২.চ্যালেঞ্জ ।
৭৩.চীনে সঙ্কট ।
৭৪.ক্লাইম্বার ।
৭৫.কোকেন সম্রাট-১ ।
৭৬.কোকেন সম্রাট-২ ।
৭৭.কমান্ডো মিশন ।
৭৮.চরসন্দীপ ।
৭৯.কালপ্রিট ।
৮০.ডেথ ট্রেপ ।
৮১.দেশ প্রেম ।
৮২.ধ্বংস-পাহাড় ।
৮৩.ধ্বংসের নকশা ।
৮৪.দংশন-১ ।
৮৫.দংশন-২ ।
৮৬.ডাবল এজেন্ট ।
৮৭.ড্রাগ লর্ড
৮৮.দুই নম্বর ।
৮৯.দুরভিসন্ধি ।
৯০.দুর্গে অন্তরীণ ।
৯১.দুর্গম দুর্গ ।
৯২.দুর্গমগিরি ।
৯৩.দুরন্ত ঈগল-১ ।
৯৪.দুরন্ত কৈশোর ।
৯৫.দুঃসাহসিক ।
৯৬.দ্বীপান্তর ।
৯৭.এখনও ষড়যন্ত্র ।
৯৮.জিপসি ।
৯৯.গহীন অরণ্য ।
১০০.গুডবাই রানা ।
১০১.গোপন শত্রু ।
১০২.গ্রাস ।
১০৩.গুপ্তচক্র ।
১০৪.গুপ্তহত্যা ।
১০৫.গুপ্তসংঘ ।
১০৬.গুপ্তসংকেত ।
১০৭.গুপ্তঘাতক -১ ।
১০৮.গুপ্তঘাতক -২ ।
১০৯.হাইজ্যাক ।
১১০.হামলা ।
১১১.হারানো আটলান্টিস-১ ।
১১২.হারানো আটলান্টিস-২ ।
১১৩.হারানো মিগ ।
১১৪.হ্যালো, সোহানা ।
১১৫.হীরক সম্রাট ।
১১৬.হংকং সম্রাট ।
১১৭.হৃদকম্পন ।
১১৮.আই লাভ ইউ, ম্যান-১ ।
১১৯.ইসাটাবুর অভিশাপ ।
১২০.ইশকাপনের টেক্কা ।
১২১.জাত গোক্ষুর ।
১২২.জলরাক্ষস ।
১২৩.জাল ।
১২৪.জাপানি ফ্যানাটিক ।
১২৫.জাপানি টাইকুন-১ ।
১২৬.জাপানি টাইকুন-২ ।
১২৭.যাত্রা অশুভ -১ ।
১২৮.যাত্রা অশুভ -২ ।
১২৯.যাত্রীরা হুঁশিয়ার ।
১৩০.ঝড়ের পূর্বাভাস
১৩১.জিম্মি ।
১৩২.জন্মভূমি ।
১৩৩.জুয়াড়ী ।
১৩৪.কায়রো ।
১৩৫.কালনাগিনী ।
১৩৬.কালো ছায়া-১ ।
১৩৭.কালো ছায়া-২ ।
১৩৮.কালো ফাইল ।
১৩৯.কালো নকশা ।
১৪০.কালো টাকা ।
১৪১.ভাইরাস X-99 ।
১৪২.কালপুরুষ-১ ।
১৪৩.কালপুরুষ-২ ।
১৪৪.কালপুরুষ-৩ ।
১৪৫.কালসাপ ।
১৪৬.কান্তার মরু ।
১৪৭.কে কেন কিভাবে ।
১৪৮.ক্ষ্যাপা নর্তক ।
১৪৯.খুনে মাফিয়া ।
১৫০.খুনের দায় ।
১৫১.কিলার কোবরা ।
১৫২.কিলার ভাইরাস -১।
১৫৩.কিলার ভাইরাস-২ ।
১৫৪.উদ্ধার ।
১৫৫.কর্কটের বিষ ।
১৫৬.কৃষ্ণপক্ষ ।
১৫৭.কুচক্র ।
১৫৮.কুহেলি রাত ।
১৫৯.কুরুক্ষেত্র -১ ।
১৬০.কুরুক্ষেত্র -২ ।
১৬১.কুউউ !  ।
১৬২.লাল পাহাড় ।
১৬৩.লেলিন গ্রাদ ।
১৬৪.লাইমলাইট-১ ।
১৬৫.লাইমলাইট-২ ।
১৬৬.মাদকচক্র ।
১৬৭.মাফিয়া ডন ।
১৬৮.মাফিয়া ।
১৬৯.মেজর রাহাত ।
১৭০.মায়ান ট্রেজার ।
১৭১.মিশন তেল আবিব ।
১৭২.মহাবিপদ সঙ্কেত ।
১৭৩.মহাপ্রলয় ।
১৭৪.মরণ কামড় ।
১৭৫.মরণযাত্রা ।
১৭৬.মরণখেলা-১ ।
১৭৭.মরণখেলা-২ ।
১৭৮.মরুযাত্রা ।
১৭৯.মরুকন্যা ।
১৮০.মোসাদ চক্রান্ত ।
১৮১.মৃত্যু পথের যাত্রী ।
১৮২.মৃত্যু দ্বীপ  ।
১৮৩.মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা  ।
১৮৪.মৃত্যুর ঠিকানা  ।
১৮৫.মৃত্যু আলিঙ্গন  ।
১৮৬.মৃত্যু ঘন্টা  ।
১৮৭.মৃত্যু প্রহর  ।
১৮৮.মৃত্যুবাণ  ।
১৮৯.মৃত্যুবীজ  ।
১৯০.মৃত্যুফাদঁ  ।
১৯১.মৃত্যুর প্রতিনিধি -১ ।
১৯২.মৃত্যুর প্রতিনিধি -২ ।
১৯৩.মৃত্যুশীতল স্পর্শ -১ ।
১৯৪.মৃত্যুশীতল স্পর্শ -২ ।
১৯৫.মুক্তিপণ ।
১৯৬.মক্ত বিহঙ্গ -১ ।
১৯৭.মক্ত বিহঙ্গ -২ ।
১৯৮.মূল্য এক কোটি টাকা মাত্র ।
১৯৯.নরকের ঠিকানা ।
২০০.নাটের গুরু ।
২০১.নীল আতঙ্ক ।
২০২.নীল দংশন ।
২০৩.নীল রক্ত ।
২০৪.নীল ছবি ।
২০৫.নিরাপদ কারাগার ।
২০৬.নকল বিজ্ঞানী ।
২০৭.নকল রানা ।
২০৮.নরকের কীট-১ ।
২০৯.নরকের কীট-২ ।
২১০.অচেনা বন্দর ।
২১১.অদৃশ্য শত্রু ।
২১২.অখন্ড অবসর ।
২১৩.অমানিশা -১ ।
২১৪.অমানিশা -২ ।
২১৫.অন্ধ আক্রোশ ।
২১৬.অন্তর্ধান-১ ।
২১৭.অন্তর্ধান-২ ।
২১৮.অনুপ্রবেশ-১ ।
২১৯.অনুপ্রবেশ-২ ।
২২০.অপারেশন বসনিয়া ।
২২১.অপারেশন চিতা ।
২২২.অপারেশন ইজরাইল ।
২২৩.অপারেশন কাঞ্চনজঙ্ঘা ।
২২৪.অপচ্ছায়া ।
২২৫.অপহরণ- ১ ।
২২৬.অপহরণ- ২ ।
২২৭.পাগল বৈজ্ঞানিক ।
২২৮.পালাবে কোথায় ।
২২৯.পালাও,রানা  ।
২৩০.পাশের কামড়া ।
২৩১.পাশবিক-১ ।
২৩২.পাশবিক-২ ।
২৩৩.পাতকিনী ।
২৩৪.পার্শিয়ান ট্রেজার ।
২৩৫.পিশাচ দ্বীপ ।
২৩৬.পপি ।
২৩৭.প্রেতাত্মা ।
২৩৮.প্রিন্সেস হিয়া ।
২৩৯.প্রবেশ নিষেধ ।
২৪০.তুষার যাত্রা ।
২৪১.প্রজেক্ট X-15 ।
২৪২.প্রলয়সংঙ্কেত ।
২৪৩.প্রমাণ কই?
২৪৪.প্রতিহিংসা ।
২৪৫.প্রতিশোধ ।
২৪৬.রক্তলালসা ।
২৪৭.রক্তপিপাসা ।
২৪৮.রানা ! সাবধান !!
২৪৯.রত্নদ্বীপ ।
২৫০.রাত্রি অন্ধকার ।
২৫১.রেড ড্রগন ।
২৫২.রিপোর্টার ।
২৫৩.রক্তের রঙ ।
২৫৪.রক্তচোষা ।
২৫৫.সাগর কন্যা ।
২৫৬.সাগর সঙ্গম ।
২৫৭.সত্যবাবা ।
২৫৮.সাউদিয়া ১০৩ ।
২৫৯.সিক্রেট এজেন্ট ।
২৬০.সেই পাগল বৈজ্ঞানিক ।
২৬১.সহযোদ্ধা ।
২৬২.সাক্ষাৎ শয়তান ।
২৬৩.শান্তিদূত -১ ।
২৬৪.শান্তিদূত -২ ।
২৬৫.শ্বাপদ সংকুল ।
২৬৬.সার্বিয়া চক্রান্ত ।
২৬৭.স্বর্ণ-বিপর্যয় ।
২৬৮.শার্প শুটার ।
২৬৯.সাত রাজার ধন ।
২৭০.সর্তক শয়তান ।
২৭১.সেই কুয়াশা-১ ।
২৭২.সেই কুয়াশা-২ ।
২৭৩.প্রতিদ্বন্দ্বী ।
২৭৪.শেষ চাল ।
২৭৫.শেষ হাসি ।
২৭৬.শ্বেত সন্ত্রাস ।
২৭৭.সবাই চলে গেছে -১।
২৭৮.সবাই চলে গেছে -২ ।
২৭৯.সবুজ সঙ্কেত ।
২৮০.শয়তানের দূত ।
২৮১.শকুনের ছায়া ১  ।
২৮২.শকুনের ছায়া ২  ।
২৮৩.সর্বনাশের দূত -১ ।
২৮৪.সর্বনাশের দূত -২ ।
২৮৫.স্বর্গরাজ্য ।
২৮৬.স্বর্ণ সঙ্কট ।
২৮৭.শত্রু ভয়ঙ্কর ।
২৮৮.শত্রু বিভীষণ ।
২৮৯.শত্রু পক্ষ ।
২৯০.শয়তানের দোসর ।
২৯১.সুমেরুর ডাক ।
২৯২.সূর্য-সৈনিক -১ ।
২৯৩.সূর্য-সৈনিক -২ ।
২৯৪.শুভ্র পিঞ্জর -১ ।
২৯৫.শুভ্র পিঞ্জর -২ ।
২৯৬.স্বর্ণতরী ।
২৯৭.সীমা লঙ্ঘন ।
২৯৮.স্মাগলার ।
২৯৯.স্নাইপার -১ ।
৩০০.স্নাইপার -২ ।
৩০১.শয়তানের উপাসক ।
৩০২.সময়সীমা মধ্যরাত ।
৩০৩.সঙ্কেত ।
৩০৪.সন্ন্যাসিনী ।
৩০৫.স্বর্ণমৃগ ।
৩০৬.সর্পলতা ।
৩০৭.শয়তানের ঘাঁটি ।
৩০৮.স্পর্ধা ।
৩০৯.তুরুপের তাস ।
৩১০.স্বর্ণদ্বীপ ।
৩১১.টার্গেট বাংলাদেশ ।
৩১২.টার্গেট নাইন ।
৩১৩.তিন শত্রু ।
৩১৪.টেরোরিস্ট ।
৩১৫.তিক্ত অবকাশ-১ ।
৩১৬.তিক্ত অবকাশ-২ ।
৩১৭.টাইম বম ।
৩১৮.টপ সিক্রেট ।
৩১৯.ট্রেজার হান্টার -১ ।
৩২০.ট্রেজার হান্টার -২ ।
৩২১.কনকতরী ।
৩২২.প্রফেসর মাসুদ রানা ।
৩২৩.কালকূট ।
৩২৪.ভারতনাট্যম ।
৩২৫.স্বপ্নের ভালবাসা ।

“এক অ্যাপে সকল বই”
মাসুদ রানা সিরিজ এর অ্যাপটি
ডাউনলোড করুন